শুধুমাত্র চিরুনিকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই এই দুর্দান্ত কায়দায় পরুন শাড়ি, দেখতে লাগবে দারুণ

নিজস্ব প্রতিবেদন: আমাদের দেশের ট্রাডিশনাল পোশাকগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো শাড়ি। যেকোনো বিয়ে বাড়ি থেকে শুরু করে উৎসব অনুষ্ঠান সবকিছুতেই কিন্তু মহিলাদের মধ্যে শাড়ি পড়ার চল রয়েছে।শাড়ি প্রায় ১০৮ রকম পদ্ধতিতে পরা যায়। তবে এদের মধ্যে নিভি, বাঙালি, গুজরাটি, তামিল, শ্রীলঙ্কান এবং মারাঠি উল্লেখযোগ্য। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেব সিল্কের শাড়ি পরার একটি সাধারণ পদ্ধতি।

দৈনন্দিন বিভিন্ন অফিস কাছারি থেকে শুরু করে অনেক জায়গাতেই কিন্তু মানুষ সিল্কের শাড়ি পরিধান করে থাকেন। এবার ধরুন কেউ নতুন শাড়ি পড়া শুরু করেছেন এবং পরিচিত কেউ নেই সাহায্য করার মতন তাহলে অবশ্যই কিন্তু এই প্রতিবেদনটি আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। অন্যান্য যেকোনো টিউটোরিয়াল এর থেকে এই পদ্ধতিটি আপনাদের সাথে অত্যন্ত বেশি সহজ ভাবেই আলোচনা করা হবে। চলুন তাহলে আর দেরি না করে আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনের মূল পর্বে যাওয়া যাক।

সিল্কের শাড়ি পরার বিশেষ পদ্ধতি:

১) প্রথমেই আপনাদের পছন্দ মতন শাড়ি এবং মানানসই ব্লাউজ আর সায়া নিয়ে নিতে হবে। এরপর ব্লাউজ আর পেটিকোট প্রথমেই পড়ে নিন। খেয়াল রাখবেন এটা যেন আপনার গায়ের মাপে হয়, না হলে কিন্তু দেখতে খুবই বাজে লাগে। এরপর শাড়ির পাড়ের অংশটার সোজা দিক আপনাদের পেটের সামনে থেকে ধীরে ধীরে সমান করে গুজতে হবে।

তারপর এটাকে যেরকম ভাবে ভিডিওতে দেখানো হচ্ছে তেমনভাবেই একবার রাউন্ড করে ঘুরিয়ে গুজে যেতে হবে। চেষ্টা করবেন শাড়ি যখন আপনারা পেট এবং কোমরের কাছে পেটিকোটের মধ্যে গুঁজে দেবেন তখন যেন কোন রকমের ভাঁজ না পড়ে। কারণ খুব বেশি ভাজ পড়লে কিন্তু জায়গাটা উঁচু হয়ে থাকবে। তারপর পেটের সামনের দিক থেকে ডান বগলের নিচ অংশ দিয়ে ঘুরিয়ে এটাকে বাঁ হাতের ওপরে আঁচলে ফেলতে হবে।

খুব সুন্দরভাবে আপনারা আঁচলে প্লেট বা কুচি তৈরি করে নেবেন একটার পর একটা যাতে এটা একেবারে সমান থাকে। আচল রেডি করে নেওয়ার পরে আপনারা চাইলে এটাকে সাথে সাথেই একটি পিনের সাহায্যে খুব সুন্দর করে ব্লাউজের সাথে আটকে নিতে পারেন যাতে পরে খুলে না যায়। আচল তৈরি করে নেওয়ার পর দেখবেন শাড়ির বাকি অংশ সামনে রয়েছে এই অংশটি কেউ যেভাবে আঁচলে প্লিট তৈরি করেছিলেন ঠিক তেমনভাবেই প্লিট তৈরি করে নিতে হবে। যদি আপনি কোন উৎসব অনুষ্ঠানের জন্য শাড়িটি পড়ে থাকেন তাহলে কিন্তু একটু সরু প্লিট করবেন, আর দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনারা অবশ্যই একটু মাঝারি ধরনের প্লিট করবেন।

প্লিট বা কুচি তৈরি হয়ে গেলে আপনাদের শাড়িটি পেটের সামনের অংশে ধীরে ধীরে পেটিকোটের মধ্যে প্রবেশ করে গুঁজে দিতে হবে। এরপর ভালোভাবে কুচি একবার ঠিক করে নিলেই কিন্তু আপনাদের শাড়ি পরা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। সাধারণত স্কুল কলেজ থেকে শুরু করে অফিস আদালত সব জায়গাতেই কিন্তু এই পদ্ধতিতে মহিলারা শাড়ি পরিধান করে থাকেন। যদি আপনাদের লেখাটি বুঝতে কোন অংশে অসুবিধা হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকা ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন।

Back to top button