হেডফোনে সবসময় গান শোনার রয়েছে অভ্যাস! সাবধান! যুবকের পরিণতি শুনলে এবার থেকে পাঁচবার ভাববেন!

নিজস্ব প্রতিবেদন:- সভ্যতার এই উন্নতিতে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন জিনিসের ছোঁয়া পাচ্ছি আবিষ্কৃত হচ্ছে নিত্য নতুন জিনিস। কিন্তু কোথাও যেন সভ্যতা চরম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে এই সমস্ত আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়ে । বর্তমান সময়ে আমরা গান শোনার জন্য দামি উন্নতি প্রযুক্তিযুক্ত হেডফোনে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু কোথাও কি যান জানেন যে অগোচরে এই হেডফোন আপনার চরমতম ক্ষতি করছে তেমনি একটা ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

সাম্প্রতিক একটি ঘটনা থেকে জানা গেছে এবং সংবাদমাধ্যম উঠে এসেছে সে তথ্য যে এক বালক তার কাজের জায়গায় যাওয়া এবং আশা মিলিয়ে মোট ৪ ঘন্টা হেডফোনে গান শুনতেন। এবং ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সের মধ্যে থেকেই এই যাত্রাটা শুরু হয় । তার ফলে তার জীবনে নেমে আসে চরম অন্ধকার। যার জন্য তাকে বিপুল পরিমাণে অর্থ খরচ করতে হয়েছে এই তথ্য জানার পর আপনারা হেডফোন ব্যবহার থেকে হয়তো বিরত থাকলেও থাকতে পারেন

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, জোশ লুক্সেমবার্গ নামের বছর তেইশের ওই যুবক এক তথ্যপ্রযু’ক্তি সং’স্থার কর্মী। প্রতিদিন কর্মস্থলে পৌঁছতে ট্রেন-বাস মিলিয়ে প্রায় ঘন্টা দু’য়েক রাস্তায় থাকতে হয় তাঁকে। ফে’রার সময়ে আরও দু’ঘন্টা। প্রতিদিন এই চার ঘন্টা সময় মোবাইলে লোড করা গান ছিল তাঁর সঙ্গী।ইয়ারফোনের একপ্রান্ত কানে গুঁ’জে অন্যপ্রান্তটি মোবাইলে আ’টকে গান শুনতে শুনতে যাতায়াত করতেন তিনি। বাড়িতে যত ক্ষ’ণ থাকতেন, সেই সময়টাতেও ল্যাপটপে সিনেমা দেখে অথবা গান শুনে কা’টাতেন।

সেই সময়েও ইয়ারফোন ছিল তাঁর কানের নিত্য’স’ঙ্গী।হঠাৎই একদিন তার কান দিয়ে আঠালো রস গড়াতে থাকে এবং তারপর মাথা ঘুরে তিনি অজ্ঞাত হয়ে যান ।গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে যে প্রতিদিন হাই ভলিউম এ গান শোনার জন্য বা হেডফোন ব্যবহার করার জন্য তার কানের ষাট শতাংশ শ্রবণ ক্ষমতা লোপ পেয়েছে। পাশাপাশি কানের ছিদ্র বড় হয়ে গেছে এবং শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে গেছে। অতএব যে কোন উন্নতি প্রযুক্তিযুক্ত দামি আধুনিক জিনিস ব্যবহার করার আগে আরো একবার প্রয়োজন এখনো রয়েছে বলে মনে হয় আমাদের।

Back to top button