প্রচণ্ড বৃষ্টিতে অমিতাভের সাথে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে শুটিং করে সারারাত চোখের জল থামাতে পারেননি স্মিতা পাটিল, কেন জানেন?

নিজস্ব প্রতিবেদন: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিল,বলিউড ইন্ডাস্ট্রির এমন একটি নাম যাকে অকালেই হারিয়েছিলেন দর্শকেরা। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে নামাক হালাল ছবিতে দেখা গিয়েছিল স্মিতা কে। এই ছবিতে একটি গানে প্রেমের দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে রীতিমতন হাউমাউ করে কেদেই ফেলেছিলেন স্মিতা। কমবেশি আপনারা হয়তো সকলেই এই গানটি শুনেছেন।

‘আজ রাপট জায়ে তো হামে না উঠাইয়ো’ এই গানটি কিন্তু বহু বছর পরেও মানুষের মনে প্রেমের দিক থেকে একপ্রকার আলাদাই জায়গা দখল করে রেখেছে বলা যায়। আসলে চলচ্চিত্র জগতের সত্যিই এমন কিছু দৃশ্য বা গান থেকে যায় যা হয়তো আর কখনোই পুনরাবর্তন করা সম্ভব নয়। এটাও তেমন একটি গান। তবে আপনারা কি জানেন কেন এই গানের দৃশ্যের শুটিং এরপর কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী স্মিতা পাতিল!

আসলে এই গানের দৃশ্যে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে বেশ কয়েকবার ঘনিষ্ঠ হতে হয়েছিল স্মিতা পাতিলকে। কিন্তু সেই ব্যাপারে একেবারেই স্বচ্ছন্দ ছিলেন না অভিনেত্রী। এমনকি শুটিং এর সময়তেও তাকে একেবারে খুশি হতে দেখা যায়নি। এমনকি এতটাই মনমরা হয়ে পড়েছিলেন অভিনেত্রী যে তিনি জানিয়েছিলেন আর শুটিং করবেন না। তারপর নির্মাতাদের বিপদ দেখে এই অবস্থায় এগিয়ে আসেন স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন। তিনি অনেক কষ্টে স্মিতাকে বুঝিয়ে সাজিয়ে আবারও অভিনয়ের জন্য রাজি করান। অমিতাভের কথা শুনেছিলেন স্মিতা।

আসলে অভিনয় অত্যন্ত ভালবাসলেও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য তে  অভিনয় করতে একেবারেই ইচ্ছে ছিল না স্মিতা পাতিলের। শুধুমাত্র অমিতাভ বচ্চনের জন্যই এই ছবিতে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি এই ছবির ৩৪ বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে এই গল্প সকলের সামনে তুলে ধরেছেন অমিতাভ বচ্চন। পুরনো এই কথা শেয়ার করে নিয়ে অভিনেত্রীর স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি। পাঠকদের উদ্দেশ্যে জানিয়ে রাখি মাত্র 31 বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছিলেন স্মিতা পাটেল।

১৯৮৬ সালে সন্তান জন্মের সময় জটিলতায় তাঁর মৃত্যু হয়। প্রায় দু’দশক পর পরিচালক মৃণাল সেন অভিযোগ করেন, চিকিৎসার গাফিলতিতে স্মিতার মৃত্যু হয়েছে। অত্যন্ত প্রতিভাবান অভিনেত্রী ছিলেন স্মিতা। অভিনয় যেন তার সহজাত গুণের মধ্যে একটি ছিল। শুধুমাত্র বলিউড অর্থাৎ হিন্দি ছবিতে নয়, বাংলা থেকে শুরু করে

গুজরাতি, মালয়ালাম, কন্নড় ছবিতেও বেশ দক্ষতার সঙ্গে সহজ এবং সাবলীলভাবে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে স্মিতা কে। অকাল প্রয়াণ হওয়ার পরেও তিনি কিন্তু তার অভিনয় আর প্রতিভার দ্বারা মানুষের মনে সারা জীবনের জন্য বেঁচে রয়েছেন। আপনাদের এই অভিনেত্রী কে কেমন লাগে তা কিন্তু অবশ্যই আমাদের সঙ্গে প্রতিবেদনের কমেন্ট বক্সে শেয়ার করে নিতে ভুলবেন না।

Back to top button