গ্যাসের বার্নারের শিখা কমে গেছে? বার্নারে জমে থাকা নোংরা পরিষ্কার করতে জানুন এই সহজ উপায়গুলি

নিজস্ব প্রতিবেদন: গ্যাস সিলিন্ডার হল আমাদের রান্নাঘরের এমন একটি জিনিস যা কমবেশি বিভিন্ন রান্না তৈরি করতে কিন্তু সর্বদা গৃহিণীদের কাজে লাগে। তাই অবশ্যই নিয়মিত এই জিনিসগুলি আপনাদের রক্ষণাবেক্ষণ করা বিশেষভাবে প্রয়োজন। যেমন ধরুন গ্যাসের ওভেন যদি আপনি দীর্ঘ সময় ধরে পরিষ্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ সঠিকভাবে না করে থাকেন তাহলে কিন্তু গ্যাস বন্ধ করা বা জ্বালানোর সময় অত্যন্ত বেশি রকমের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

একটি সম্পূর্ণ বন্ধ গ্যাসের ওভেন কখনোই বাড়িতে ঠিক করা সম্ভব নয়। তবে যদি কোন কারণে এই চুলার ফ্লেম কমে গিয়ে থাকে আপনারা কিন্তু সহজেই তা বাড়িতে সহজ কয়েকটি পদ্ধতির মাধ্যমে ঠিক করে নিতে পারেন।। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা সেই বিশেষ টিপসগুলি সম্পর্কে আলোচনা করব যা গ্যাসের ওভেনের  আঁচ সহজেই কিছুটা হলেও বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।তাই যারা নিয়মিত এই ধরনের সমস্যার ভুক্তভোগী তারা আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন ভুল করেও মিস করবেন না। তাহলে আসুন আর দেরি না করে আমাদের আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনটি শুরু করা যাক।

  • গ্যাসের বার্নারের শিখা ঠিক করার সহজ কয়েকটি উপায়:

১) গ্যাসের ওভেনের জালি পরিষ্কার:

আপনাকে নিয়মিত গ্যাস ওভেনের ঝাঝরি পরিষ্কার করতে হবে। অনেক সময় এই ঝাঁঝরির মধ্যে থাকা গর্ত গুলি কোনভাবে আটকে গিয়ে থাকে, যার ফলস্বরূপ গ্যাস ভালোভাবে জলতে পারে না। তাই গ্যাসের ওভেন পরিষ্কারের পাশাপাশি নেট পরিষ্কারের উপরেও আপনাদের নজর দিতে হবে। এর জন্য আপনারা ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় ভিনিগার মিশ্রিত জলের মধ্যে চুলার এই নেট চুবিয়ে রেখে দিতে পারেন। তাহলেই কিন্তু দেখবেন ফ্লেম কমে যাওয়ার সমস্যা অনেকটাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

২) নিয়মিত গ্যাসের পাইপ পরীক্ষা:

গ্যাসের ওভেন পরিষ্কার করার পাশাপাশি আপনাদের অবশ্যই কিন্তু পাইপও ভালো করে কিছুদিন অন্তর অন্তর পরীক্ষা করে নিতে হবে। অনেক সময়ই পাইপ নোংরা বা পুরাতন হয়ে গেলে চুলায় গ্যাস পৌঁছতে পারে না। একটি বিশ্লেষণের মতে অন্ততপক্ষে তিন মাস অন্তর গ্যাসের এই পাইপ পরিবর্তন করা প্রয়োজনীয়। তবে অনেকেই এই কাজটি করে থাকেন না তাই ওভেন পর্যন্ত গ্যাস সঠিকভাবে না পৌঁছানোর জন্য ফ্ল্যেম অনেকটাই ধীরে হয়ে যায়।

৩) গ্যাসের বার্নার পরিষ্কার:

অনেক সময় গৃহিণীরা তাড়াতাড়ি রান্না করার সময় বা দুধ ফোটানোর সময় সেই সমস্ত জিনিস গুলি কিন্তু গ্যাসের উপরে ফেলে দেন। যার ফলস্বরূপ গ্যাসের আঁচ পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় অনেকটাই কমে যায়। আবার অনেক ক্ষেত্রেই কিন্তু দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করার জন্য মরিচা পড়ে গিয়ে বার্নারের তথা চুলার গর্তগুলি আটকে যাতে থাকে। এই অবস্থায় আপনাদের অবশ্যই কিন্তু ভালো করে চুলা খুলে নিয়ে নাট-বোল্ট আলাদা করে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

সবশেষে বল্টু শক্ত করে বেধে ফেলুন। এগুলি পরিষ্কার করার কাজে আপনারা যে কোন শুকনো কাপড় ব্যবহার করতে পারেন। এইভাবে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে যদি আপনারা নিয়মিত গ্যাসের চুলা পরিষ্কার করতে পারেন ও অন্যান্য বিষয় নজর রাখতে পারেন তাহলে কিন্তু গ্যাসের ফ্লেম সহজে স্লো হবে না।

যেহেতু এই পদ্ধতিগুলিতে খুব একটা খাটনির প্রয়োজন নেই বা অর্থ খরচের ব্যাপার নেই তাই অবশ্যই একবার হলেও সপ্তাহে এগুলি করার ট্রাই করবেন।। এই ধরনের আরো বিশেষ কিচেন টিপস পেতে চাইলে আমাদের পোর্টালের পাতায় নজর রাখতে পারেন। আপনাদের কাছেও যদি এরকম কোন টিপস থাকে তা শেয়ার করে নেওয়ার অনুরোধ রইল।

Back to top button