দীঘা কিংবা পুরী একঘেঁয়েমি মনে হচ্ছে, কলকাতা থেকে ৪ ঘন্টা দূরে ঘুরে আসুন এই নতুন সি-বিচ

নিজস্ব প্রতিবেদন : আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যস্ততার অভাব নেই।এই একঘেয়েমি জীবন কাটাতে কাটাতে ক্লান্ত হয়ে পড়ি আমরা মাঝে মাঝে,তাই তখনই আমাদের মনে হয় প্রতিদিনের এই একই কাজকর্ম থেকে একটা ছোট্ট ছুটি নেওয়া যাক।তখনই আমাদের ডাক দেয় সমুদ্র বা পাহাড়।যেখানে গিয়ে আমরা স্বস্তির নিঃস্বাস নি। ঘুরতে যাওয়ার কথা হলেই আমাদের মাথায় কিছু জায়গা প্রথমেই মাথায় আসে- দিঘা,পুরী, দার্জিলিং,গ্যাংটক। কিন্তু আপনারা কি জানেন এছাড়াও অনেক স্থান আছে যেখানে গিয়ে আমরা শান্তি অনুভব করি। তার মধ্যেই একটা জায়গা নিয়ে আজকের এই প্রতিবেদন।

আপনাদের অনেকের কাছেই এই জায়গাটির নাম জানা আবার বেশিরভাগ জনের কাছেই অজানা। জায়গাটির নাম হলো বাগদা বিচ্। খুবই কম খরচে মন ভরে আনন্দ নিতে পারবেন এই জায়গায়।কলকাতা থেকে ৪ ঘন্টার রাস্তায় অবস্থিত এই সুন্দর স্থানটি। এবার দেখা যাক কিভাবে পৌঁছাবেন আপনার গন্তব্যে?হাওড়া স্টেশন থেকেই শুরু আপনার যাত্রা।

ফালাকনামা এক্সপ্রেস ধরে ৩ ঘন্টায় পৌঁছে যাবেন ওড়িশার বালাসর। তারপরই গাড়ি ভাড়া করে ১ ঘন্টা ১৫ মিনিট এর রাস্তা অতিক্রম করেই পৌঁছে যাবেন আপনার গন্তব্য “বাগদা বিচ্”। সেখানে গিয়ে আপনারা থাকতে পারেন এক অপূর্ব বিচ্ ক্যাম্প এ যার নাম হলো “My eco camp” ওখানে আপনারা পেয়ে যাবেন একেবারেই পুরোপুরি বাঙালি খাবার ,আপনার মনেই হবেনা আপনি বাড়ির বাইরে আছেন। খাওয়া দাওয়া করার পরেই বেরিয়ে পড়ুন ঘুরতে।

আপনি যে শুধু সমুদ্রের সৌন্দর্য দেখতে পাবেন তাই না দেখতে পাবেন অনেকটা পাহাড়ি সৌন্দর্যও। সমুদ্রের গর্জন অপনার মন কে করে তুলবে মুগ্ধ। এই “My eco camp” এ আপনারা পেয়ে যাবেন বিভিন্ন বাজেটের মধ্যে থাকার ব্যবস্থা।যেমন-
১.টেন্ট- ১৫০টাকা প্রতি জন (৪ বার খাবারের ব্যবস্থা সহ)

২. কমন বাথ কটেজ- ১৪০০ টাকা প্রতি জন এবং৩. এটাচ বাথ- ১৮০০ টাকা প্রতি জন প্রতি ক্ষেত্রেই ফুডিং এবং লজিং ইনক্লুড বাচ্চাদের ক্ষেত্রে লাগবে ৫০% টাকা এবং আপনাদের নিজস্ব ড্রাইভার এর থাকা বিনামূল্যে ,অর্থাৎ শুধু মাত্র লাগছে খাওয়ার খরচা (৬০০-৭০০/-)

তাহলে আর দেরি না করে নিজেদের অবসর সময় বের করে এক্ষুনি ঘুরে আসুন এই সুন্দর জায়গায় – “বাগদা বিচ্”
এরম আরও বিভিন্ন ঘোরার জায়গার সন্ধান পেতে চোখ রাখুন আমাদের পোর্টালে। প্রসঙ্গত আমাদের আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনটি আপনাদের কেমন লাগলো তা অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না। যদি আপনাদের কাছেও এরকম কোন ভ্রমণের জায়গার সন্ধান থাকে তাহলে তা অবশ্যই আমাদের কমেন্ট সেকশনে সমস্ত পাঠকদের সাথে শেয়ার করে নিতে পারেন।। এতে হয়তো অনেকেরই সুবিধা হবে।

Back to top button