একদম হালকা ওজনের মধ্যে আধুনিক ডিজাইনের সোনার পলার ৬টি দুর্দান্ত কালেকশন দেখে নিন

নিজস্ব প্রতিবেদন: হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিবাহিতা মহিলাদের কাছে শাখা–পলার গুরুত্ব কতখানি তা হয়তো আপনাদের আলাদা করে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যেকোনো উৎসব বা বড় কোন অনুষ্ঠান থাকলেই কিন্তু লক্ষ্য করে দেখবেন অন্যান্য গয়নার তুলনায় শাখা বা পলা বাঁধানো কিন্তু কিনতে বেশি পছন্দ করে থাকেন তারা।

এখন নানান ধরনের ডিজাইনের মধ্যে শাখা ও পলা খুব সহজেই তৈরি করা যেতে পারে। খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে বিয়ের সিজন। এই উপলক্ষে আজ আমরা নিয়ে চলে এসেছি সোনার পলা বাধানোর কিছু লেটেস্ট কালেকশন। চলুন তাহলে আর সময় নষ্ট না করে আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনটি শুরু করা যাক।

পলা বাধানোর লেটেস্ট কিছু ডিজাইন:

১) আজকের এই প্রতিবেদনের শুরুতেই আমরা আপনাদের যে পলা বাধানোর ডিজাইনটি দেখাতে
চলেছি সেটা একটা ময়ূরের ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও এটার মধ্যে রয়েছে কলকা এবং ফ্লাওয়ার শেপের কাজ। এই ডিজাইনটির দাম পড়বে ২৩,০৪০ টাকা।

২) এবারের যে ডিজাইনটি রয়েছে সেটার মধ্যে কিছুটা পাত আর কিছুটা বরফি শেপে কাজ করা রয়েছে।এককথায় এটা একটা দুর্দান্ত ডিজাইন। অসাধারণ এই পলা বাঁধানোর দাম পড়বে ২২,৪১৫ টাকা।

৩) এবারের ডিজাইনটির মধ্যেও কিছুটা চ্যানেল আর কিছুটা ফুলের কাজ করা রয়েছে। ছোটখাটো অকেশন বা পূজোর দিনগুলির জন্য এটা দারুন একটা কালেকশন। এই ডিজাইনটি তৈরি করতে গেলে আপনাদের খরচ করতে হবে ১৯,৯২০ টাকা।

৪) আজকের এই প্রতিবেদনের চতুর্থ ডিজাইন টাও পাতের উপর কাজ করেই তৈরি করা হয়েছে। এর উপরে খুব সুন্দর ঝিলে কাটা আর ম্যাট ফিনিসের কাজ রয়েছে। দাম পড়বে মোটামুটি ১৯,৩৪৪ টাকা।

৫) এবার পলা বাঁধানোর যে ডিজাইনটি আপনারা দেখতে চলেছেন এর উপরে যে পাতের কাজটা করা রয়েছে সেটা খুব সুন্দর একটা গ্লসি ভাবে তৈরি করা। এছাড়াও অনেকটা কানের মতন ডিজাইনে এটার উপর কাজ করা রয়েছে। এটার দাম প্রায় ২০,২৫৬ টাকা।

৬) এবার যে কালেকশনটি আপনারা দেখছেন সেটা ছোট গোলের শেপে এবং লম্বাটে ধরনের পাতের মতন তৈরি করা হয়েছে। এই কালেকশন টির দাম পড়বে ১৫,৩৬০ টাকা।

৭) এবার যে ডিজাইনটি আপনারা দেখছেন সেটাও হুবহু আগের ডিজাইনের মতোই। এটার উপরেও পাতের পাশাপাশি গোল বলের মতন একটা ডিজাইন করা রয়েছে। ১৯,৮৭০ টাকা এই ডিজাইনটির দাম পড়বে।

আজকে আমরা যে সমস্ত ডিজাইনগুলির সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিলাম সেগুলি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কিন্তু একটি লাইক, কমেন্ট করে দিতে ভুলবেন না। পাশাপাশি পাঠকদের সুবিধার্থে আমরা বলবো যে হলমার্ক ছাড়া সোনার গয়না কেনা থেকে বিরত থাকুন।খাঁটি সোনা চেনার অন্যতম উপায় হল সোনার গায়ে থাকা হলমার্কের নম্বর যাচাই করে সেই সোনা’কে চেনা।

BIS এবং BIS অনুমোদিত ল্যাবরেটরি ছাড়া সোনার গায়ে হলমার্ক বসাতে পারে না কেউই। তাই একমাত্র BIS অনুমোদিত হলমার্ক দেখেই তবে সোনা কেনা উচিত।ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে খাঁটি সোনার নাম করে বিক্রি হয় ভুয়ো কিংবা নকল সোনা। অনেকসময় সোনার পরিবর্তে হাতে আসে ইমিটেশনও। সুতরাং কোনভাবেই কিন্তু আপনারা রিক্স নেবেন না।।

Back to top button