একদম হালকা ওজনের মধ্যে সোনার কানের দুলের আধুনিক ডিজাইনের ৪টি দুর্দান্ত কালেকশন দেখে নিন

নিজস্ব প্রতিবেদন: সোনার গয়না মানেই মানুষের কাছে এক প্রকার আলাদা ধরনের আবেগ। যদিও বর্তমান সময়ে সোনার গয়না সাধারণ মানুষের পক্ষে কিন্তু খরিদ করা বেশ মুশকিল ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের উপর ভিত্তি করে দিন প্রতিদিন বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে সোনার দাম। তবুও এর মাঝেই এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে কিন্তু সোনা কিনতে ছাড়েন না।

আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনেও আমরা রেগুলার ইউজ এবং অকেশনে পড়ার জন্য মাত্র ১ গ্রাম থেকে সোনার বিভিন্ন কানের দুল সম্পর্কে আপনাদের সাথে আলোচনা করে নিতে চলেছি। তাহলে চলুন দেরি না করে আমাদের এই বিশেষ প্রতিবেদনটি শুরু করা যাক। প্রয়োজনে আপনারা প্রতিবেদনের সঙ্গে থাকা ভিডিওটি কিন্তু দেখে নিতে ভুলবেন না। সামনেই রয়েছে বিয়ের সিজন সুতরাং নিঃসন্দেহে আজকের এই প্রতিবেদনটি কিন্তু আপনাদের সকলেরই কমবেশি কাজে লাগতে পারে।।

রেগুলার ইউজ এবং অকেশনে পড়ার জন্য সোনার কানের দুলের কালেকশন:

১) আজকের এই প্রতিবেদনের শুরুতেই যে কানের দুলের ডিজাইনটি আপনারা দেখতে চলেছেন সেটা খুব সুন্দর উপরের অংশে ফুলের ডিজাইনে তৈরি করা রয়েছে। নিচের অংশে অনেকটা ঝুমকোর মতন করে স্টেপ তৈরি করা রয়েছে।

২) এবার যে ডিজাইনটি আপনারা দেখতে চলেছেন সেটাতেও ফুলের ডিজাইন করা রয়েছে, তবে একটু অন্যরকম ভাবে। যারা অফিস কাছারিতে পড়ে যাওয়ার জন্য একটু ডিজাইনার কানের দুল খুঁজছেন তারা অবশ্যই এটা ট্রাই করে দেখতে পারেন।।

৩) এবার যে কানের দুলটির ডিজাইন আপনারা দেখছেন সেটা উপরের অংশে অনেকটা জ্যামিতিক শেপে তৈরি করা হয়েছে। এটার উপরে আবার ধানের ছড়ার মতন ঝিলে কাটা কাজ করা রয়েছে। খুবই হালকা ওজনের এই কানেরটি কিন্তু আপনারা উপহার হিসেবেও দিতে পারেন।

৪) এবার যে কানের দুলটি আপনারা দেখছেন সেটাও খুব সুন্দর চৌকো আকৃতির মধ্যে ঝিলাকাটা কাজ এবং নিচের অংশে ঝুলের ডিজাইন করা রয়েছে। এই কালেকশন তাও কিন্তু আপনারা রেগুলার ইউজ থেকে শুরু করে ছোটখাটো অনুষ্ঠানে পরিধান করে যেতে পারবেন।

আজকে আমরা যে সমস্ত ডিজাইনগুলি সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিলাম সেগুলি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কিন্তু একটি লাইক, কমেন্ট করে দিতে ভুলবেন না। পাশাপাশি পাঠকদের সুবিধার্থে আমরা বলবো যে হলমার্ক ছাড়া সোনার গয়না কেনা থেকে বিরত থাকুন।খাঁটি সোনা চেনার অন্যতম উপায় হল সোনার গায়ে থাকা হলমার্কের নম্বর যাচাই করে সেই সোনাকে চেনা। BIS এবং BIS অনুমোদিত ল্যাবরেটরি ছাড়া সোনার গায়ে হলমার্ক বসাতে পারে না কেউই।

তাই একমাত্র BIS অনুমোদিত হলমার্ক দেখেই তবে সোনা কেনা উচিত।ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে খাঁটি সোনার নাম করে বিক্রি হয় ভুয়ো কিংবা নকল সোনা। অনেকসময় সোনার পরিবর্তে হাতে আসে ইমিটেশনও। সুতরাং কোনভাবেই কিন্তু আপনারা রিক্স নেবেন না। পাশাপাশি আরও একটি বিষয় জেনে রাখুন আন্তর্জাতিক দরের উপর ভিত্তি করে কিন্তু দৈনন্দিন সোনার দাম আলাদা হয়ে থাকে। সুতরাং প্রতিবেদনে উল্লেখ করা দামের অনেকটাই কিন্তু আসলে থেকে ফারাক হতে পারে।

Back to top button