মাত্র ২৯৯ টাকায় কিনুন অরিজিনাল রেশম কোয়ালিটির জামদানি, এখান থেকে শাড়ি কিনে ব্যবসা শুরু করলে লাভ হবে প্রচুর

নিজস্ব প্রতিবেদন :বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে সমস্ত মানুষ কিন্তু একটি লাভজনক ব্যবসার রাস্তা খুঁজে চলেছেন। লকডাউনের পর থেকেই যেহেতু বহু মানুষ বেকার হয়ে গিয়েছেন তাই অর্থ উপার্জন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট রাস্তা অবশ্যই প্রয়োজন। সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে কিন্তু কখনই বড় অংকের অর্থ খরচ করে ব্যবসা শুরু করা সম্ভব নয়। তাই আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা নিয়ে এসেছি এমন একটি ব্যবসা যা আপনারা স্বল্প টাকা খরচ করে সহজেই শুরু করতে পারবেন।

তাহলে আসুন আর দেরি না করে শুরু করা যাক আজকের আমাদের এই বিশেষ প্রতিবেদন। প্রথমেই কি ব্যবসা শুরু করবেন সেই সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। আমরা আজকে যে ব্যবসাটির কথা আলোচনা করতে চলেছি তা হলো শাড়ির পাইকারি দরের ব্যবসা। অর্থাৎ পাইকারি দরে শাড়ি কিনে আপনি স্থানীয় বাজারে তা বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

যেকোনো বিয়ে বাড়ি থেকে শুরু করে পুজো পার্বণ সবকিছুতেই কিন্তু মহিলাদের প্রথম পছন্দ শাড়ি। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ নয় দেশের সব জায়গাতেই কিন্তু শাড়িকে একটি ঐতিহ্যবাহী পোশাক হিসেবে দেখা হয়। তাই এর চাহিদার কোনদিনই অভাব হবে না এ কথা আমরা স্পষ্ট বলতে পারি। তবে অন্যান্য ব্যবসা গুলোর মতন শাড়ির ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রেও কিন্তু কিছু বিশেষ নিয়ম রয়েছে।বিশদে তথ্য নিতে হলে আপনারা প্রতিবেদনের সঙ্গে থাকা ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন।

কিভাবে শুরু করবেন এই ব্যবসা? শাড়ির ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাদের প্রথমেই যেটা করতে হবে তা হল পাইকারি দরে কোথায় শাড়ি পাওয়া যায় সেই সম্পর্কে ভালো করে খোঁজ নিতে হবে। কারণ আপনি যদি পাইকারি দরে শাড়ি কিনতে না পারেন সে ক্ষেত্রে কিন্তু ভালো লাভ করতে পারবেন না। এই ব্যবসা অত্যন্ত সহজেই আপনারা অল্প কিছু মূলধন নিয়ে শুরু করতে পারবেন।

যদি আপনাদের কাছে দোকান শুরু করার মতন উপযুক্ত মূলধন এবং জায়গা না থাকে সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনারা ঘরে বসে অনলাইনেও এই বিজনেস স্টার্ট করতে পারেন। এটি এমন একটি ব্যবসা যেটি শুধু পুরুষ নয়, বাড়ির গৃহবধুরাও কিন্তু খুব সহজেই করতে পারে। আজকাল অনেকেই বিভিন্ন সোশ্যাল সাইট গুলির সাহায্যে শাড়ি বিক্রি করে থাকেন। সুতরাং এই ব্যবসা শুরু করতে গেলে আপনাকে যে বড় কোন জায়গা বা বড় অংকের কোন অর্থ খরচ করতে হবে এরকম কোন মানে নেই।

এক একটি শাড়ি কিনতে গেলে আপনাদের কত টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে এবার আসা যাক সেই প্রসঙ্গে। শাড়ি বিক্রির ব্যবসা শুরু করতে গেলে কিন্তু আপনার কাছে সমস্ত ধরনের শাড়ির কালেকশন থাকতে হবে কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী। সাধারণ সুতি বা সিল্কের শাড়ি থেকে শুরু করে প্রায় সমস্ত ধরনের শাড়ি আপনি রাখতে পারেন। আজকে আপনাদের সুবিধার্থে আমরা এমন একটি দোকানের ঠিকানা আপনাদের দিয়ে দেবো যেখানে আপনারা খুব সহজেই বিভিন্ন শাড়ি পাইকারি মূল্যে পেয়ে যাবেন।

এখানে মোটামুটি ২৯৯ টাকা থেকে আপনারা অরিজিনাল রেশম কোয়ালিটির জামদানি পেয়ে যাবেন। এছাড়াও অন্যান্য শাড়ি যেমন হ্যান্ডলুম পেয়ে যাবেন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এছাড়াও এখানে পেয়ে যাবেন পুজোর স্পেশাল কালেকশনে নানান ধরনের শাড়ি। যেমন রয়েছে বালুচরী ঠিক তেমন ভাবেই রয়েছে সাধারন লাল পাড় সাদা শাড়ি। এখানে খুব সহজেই আপনারা কিন্তু এক পিস শাড়ি কিনে আগে কোয়ালিটি যাচাই করে দেখে তারপরে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। দেশের অভ্যন্তরে এবং দেশের বাইরে খুব সহজেই কিন্তু ডেলিভারি করা যাবে।

পাইকারি দরে শাড়ি কেনার সুযোগ্য ঠিকানা: ব্যবসা শুরু করতে চাইলে আপনারা খুব সহজেই শান্তিপুর শাড়ি মার্কেটে অবস্থিত হালদারবাবুর শাড়ি ঘরে চলে যেতে পারেন। এটি নদীয়ার শান্তিপুরে সুত্রাগড় দালালপাড়া লেনে অবস্থিত। এই দোকানটির শাড়ির কালেকশন দেখে নিঃসন্দেহে যে কোন মানুষ অবাক হয়ে যেতে বাধ্য হবেন।

প্রয়োজনে আপনারা প্রতিবেদনের সঙ্গে থাকা ভিডিওটি অবশ্যই দেখে নিতে পারেন। এখানে বেশ কিছু শাড়ি কিন্তু দর্শকদের উদ্দেশ্যে ডেমো হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিস্তারিত জানতে হলে আপনারা 8250644749 অথবা 9547039657 এই নম্বর দুটিতে যোগাযোগ করে নিতে পারেন।

Leave a Comment