নিউজপশ্চিমবঙ্গ

এই 1 টি মাত্র কারণে বাতিল করা হচ্ছে প্রচুর স্বাস্থ্য সাথীর ফর্ম! আবেদন করার আগে সতর্ক হোন! রইল বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আমরা জানি যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজ্যের বুকে শুরু হয়েছিল লকক্ষি ভান্ডার প্রকল্প এবং প্রকল্পের আওতায় সাধারন মানুষেরা সুযোগ-সুবিধা পাবেন তা অনুমান করা যেতে পারে । বাড়ির মহিলারা সরকারের কাছ থেকে ৫০০ টাকা এবং হাজার টাকা সরকারি অনুদান পাবে প্রতি মাসে । যার ফলে চালু হয়েছে দুয়ারে সরকার । কিন্তু প্রথম দিন এবং ভিড় দেখা গেছে তাতে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।

প্রথম দিনে যে পরিমাণে ভিড় দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে লক্ষ্য করা গেছে তাতে কোভিদ পরিস্থিতি আরও বেড়ে যেতে পারে বলে অনুমান রাজ্য সরকারের ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের । তাই তিনি সকলকে সাবধান করেছেন এবং বলেছেন যাতে করোনা পরিস্থিতি মাথায় রেখে নিরাপদ দূরত্বে বিজয় রেখে সমস্ত কাজ করে । এই ক্যাম্প আগামী এক মাস চলবে । তাই তাড়াহুড়ো কোন কারণ নেই ধীরেসুস্থে সবাই সবকিছু করুন । প্রত্যেকটি প্রকল্পের সুবিধা আপনারা নিন কিন্তু নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ।

কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য যে হারে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর আবেদনপত্র জমা পড়ছে তা অস্বাভাবিক । আমরা জানি যে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য অতি অবশ্যই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা বাঞ্ছনীয় । কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে অনেকের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নেই । তাই তারা নতুন করে আবেদন করছে । তবে একই পরিবারের প্রত্যেক সদস্য স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর জন্য আবেদন করাতে অস্বাভাবিক লেগেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তমলুক এলাকার আধিকারিকদের ।

এমনটা শোনা যাচ্ছে যে শাশুড়ি বৌমার ঝগড়ার জন্য একই পরিবার থেকে একাধিক আবেদনপত্র জমা পড়েছে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর জন্য । সেই অর্থে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পরিবার কেন্দ্রিক । গৃহকর্ত্রীর নামে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকলে পরিবারের সেই পরিবারের সকল মহিলারা কিন্তু একই শাস্তি কার্ড দিয়ে আবেদন করতে পারবেন । এর জন্য পৃথক ভাবে প্রত্যেকের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করার কোন রকম দরকার নেই । তাই সেই সমস্ত আবেদন পত্র গুলিকে সরাসরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button