নিউজপশ্চিমবঙ্গ

1 তারিখে টাকা ঢুকেছে কাদের ব্যাংক একাউন্টে? কিসের জন্য বাতিল করা হলো ফর্ম? জেনে নিন সমস্ত বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- ইতিমধ্যে রাজ্যের প্রত্যেক মহিলাদের একাউন্টে ৫০০ টাকা এবং হাজার টাকা করে প্রবেশ করতে শুরু করে দিয়েছে । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তার কথা রেখেছে । মহিলার যাতে সামনের সারিতে এগিয়ে আসতে পারে তার জন্য সরকারিভাবে প্রতিমাসে ৫০০ টাকা এবং হাজার টাকা করে অনুদান দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার । তবে এখনো পর্যন্ত মানুষ বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি ।

এমন বহু মানুষ রয়েছে যারা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র পূরণ করতে গিয়ে একাধিক ভুল করছে । এবং এই ফুলগুলো খুব সাধারণ এবং সবার ক্ষেত্রে এক । তাই আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাদেরকে সেই সমস্ত ভুল সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য দিতে চলেছে । এই ভুলগুলো শুধরে নিন এবং লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র সঠিকভাবে পূরণ করুন তাহলে কিন্তু আপনি আপনার আবেদন পত্র গ্রহণযোগ্য হবে ।

লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র গ্রহণযোগ্য হবে কি হবে না সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে সরকারি আধিকারিকদের উপর । যদি আপনার দেওয়া প্রদত্ত ডকুমেন্টস বা নথিপত্র সঠিক মাত্রায় থেকে থাকে এবং আপনি যদি সঠিক মাত্রায় আবেদনপত্র পূরণ করে থাকেন তাহলে কিন্তু লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র গ্রহণ হতে বাধ্য ।কিন্তু সাধারণত যে সমস্ত মানুষের ভুল করছে সেই ভুলগুলি আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরবে ।। তাই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র পূরণ করার আগে এই ভুল সম্পর্কে আপনার জন্য অতি অবশ্যই দরকার ।

আবেদনপত্র একদম শেষ দিকে ব্যাঙ্কের ডিটেলস চাওয়া হয়েছে । প্রথমত আপনার নামে একটি সিঙ্গেল ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে । যাদের ক্ষেত্রে জয়েন্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে সে ক্ষেত্রে ফাস্ট হোল্ডার অর্থাৎ প্রথম হোল্ডার এর নাম মহিলার হতে হবে যিনি আবেদন করছেন ।

দ্বিতীয়তঃ ব্যাঙ্ক ডিটেলস এর পাশাপাশি একটি আইএফএসসি কোড যাওয়া হয়েছে । সে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে অনেকে ভুল করছেন । আমরা জানি যে ব্যাংক গুলি নিজেদের মধ্যে মেলবন্ধন করেছে । যার ফলে পাল্টেছেন পুরনো ব্যাংকের আইএফএসসি কোড । অতি অবশ্যই আপনি আপনার নিকটবর্তী ব্যাংকে গিয়ে নতুন আইএফএসসি কোড সংগ্রহ করুন । তারপর আবেদনপত্রে সেই নতুন আইএফএসসি কোড টি লিখুন নইলে কিন্তু আবেদনপত্র বাতিল হবে ।

এরপর আসে ব্যাংকের নাম । যেহেতু অনেককেই সিঙ্গেল একাউন্ট নেই । তাই ডিজিটাল ব্যাংকের নাম সেখানে যুক্ত করছে । যেমন পেটিএম পেমেন্ট ব্যাংক এয়ারটেল পেমেন্ট ব্যাংক ইত্যাদি । সরকারি থেকে এমন কোন বিজ্ঞপ্তি জারি করা নেই যেখানে বলা হয়েছে যে আপনি এই সমস্ত ব্যাংকের নাম উল্লেখ করতে পারবেন না । আবার এমনও বলা নেই যেখানে আপনি নাম উল্লেখ করতে পারবেন ।তাই এটা একটা ধোঁয়াশা সৃষ্টি করেছে এমন টা বললে খুব একটা ভুল হবেনা ।

এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর নাম্বার অনেকেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর নাম্বার লিখছে সঠিকভাবে । কিন্তু কার্ডটি যদি আপনি ভালো রকম ভাবে লক্ষ্য করে দেখেন তাহলে দেখবেন শেষে একটি সংখ্যা দেওয়া রয়েছে ।সেই সংখ্যাটি অনেক লিখতে ভুলে যাচ্ছে । যার ফলে কিন্তু আবেদনপত্র বাতিল হচ্ছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button