নিউজপশ্চিমবঙ্গ

লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে কোন মহিলারা টাকা পাবেন না? বয়স কত হতে হবে? জেনে নিন!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- মানুষের মধ্যে এখন উ-ন্মাদ এবং উ-ত্তেজনা তু-ঙ্গে । হাসি ফুটেছে প্রতিটি বাড়ির মহিলাদের মুখে । কারণ মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজ্যের মধ্যে শুরু হতে চলেছে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প । এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে আমি-আপনি প্রত্যেকেই জানি কিভাবে সাধারণ মহিলারা সুযোগ-সুবিধা পেয়ে যাবেন ।

নিজের হাত খরচের জন্য অন্য কারোর কাছে যাতে আর হাত পাততে না হয় যাতে প্রতিটি মহিলা স্বনির্ভর হতে পারে তার জন্য এই ধরনের প্রকল্পের সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী দিনে আমাদের রাজ্যকে অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ কে আরো উন্নত করবে বলে অনুমান অনেকের । পশ্চিমবঙ্গ শিশু সুরক্ষা এবং নারী কল্যাণ দপ্তর থেকে এই প্রকল্প সূচনা করা হয়েছিল

এবং নির্দেশিকা অনুসারে জানানো হয়েছিল যে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা বাঞ্ছনীয় । কিন্তু আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা হয়তো দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার পরও স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হাতে পায়নি তাদের ক্ষেত্রে বা যে সমস্ত মানুষের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নেই তারা কিন্তু লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য অতি অবশ্যই আবেদন করতে পারে । তার জন্য একটি বিশেষ আবেদনপত্র আপনাকে লিখতে হবে ।

যে আবেদনপত্র তে আপনাকে জানাতে হবে যে কেন আপনার স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হয়নি এবং আপনার আর্থিক অবস্থার কারণ তারপর সেই পত্রটি আবেদনপত্রের সাথে যুক্ত করে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে জমা করতে হবে । আসুন আমরা দেখে নামাজে কাড়াকাড়ি লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের নিজেদেরকে নিযুক্ত করতে পারে এবং লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প নিজেদেরকে নিযুক্ত করার জন্য কি কি থাকা বাঞ্ছনীয় ।

১)প্রথমত যারা আবেদন করবে তাদেরকে স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এই রাজ্যের ।

২)আবেদনকারীর বয়স অতি অবশ্যই ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে ।

৩)আবেদনকারীকে অবশ্যই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা বাঞ্ছনীয় ।

৪) আবেদনকারীর একটি সিঙ্গেল ব্যাংক একাউন্ট দরকার পড়বে । যার সাথে আধার কার্ড সংযুক্ত করা আছে ।

৫)সরকারি কর্মচারী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কেন্দ্রের ও রাজ্যের, কোনও স্বশাসিত সংস্থা, সরকারি নিয়ন্ত্রিত কোনও সংস্থা, পঞ্চায়েত, মিউনিসিপালিটি, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, সরকারি স্কুল গু-লির ক্ষেত্রে বা যদি কেউ নিয়মিত বেতন বা পেনশন পান তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না।

৬)এক্ষেত্রে যদি আবেদনকারীর স্বাস্থ্যসাথী বা আধার কার্ড না থাকে তাঁকে প্রথমে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হবে। সঙ্গে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বা আধার কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

৭)আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য কি না তা ঠিক করবে জেলাগু-লির ক্ষেত্রে জেলাশাসকরা এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কমিশনার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button