নিউজভিডিও

দিনে ১০০ টাকা রোজগার করা ছেলেটি আজ শেয়ার বাজারের Successful Youngest Trainer & Investor কিভাবে ?

“পশ্চিমবঙ্গের এক মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারে জন্ম আমার। বাবা একজন রাজমিস্ত্রি হলেও,আমাদের একটু আরামদায়ক জীবন যাপনের জন্য বাবাকে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে দেখেছি। এখনও মনে আছে ! জীবনের এমন কিছু দিন ছিল, যেখানে আর্থিক সংকটের কারণে আমরা শুধু ভাত টুকু খেতে পেতাম । আমার বাবার কঠোর পরিশ্রমের শেষ ছিল না, তবে অপর্যাপ্ত আয়ের কারণে আমাদের পরিবারকে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো, এ কারণেই আমার মা সেলাইয়ের কাজ শুরু করে। আমার মা আমার পড়াশোনা সম্পর্কে সত্যিই উদ্বিগ্ন ছিলেন যে কারণে তিনি আমাকে পড়াতেন, কিন্তু যখন পেটে খাওয়ার জন্য ঠিকমতো ভাত থাকেনা তখন পড়াশোনার আগ্রহটাও আর জাগে না,আমারও ঠিক তাই ছিল।পড়াশোনায় তেমন আগ্রহ ছিল না। আমি পাগলের মত টাকা উপার্জনের সুযোগগুলি খুঁজতে শুরু করেছিলাম;যাতে আমি আমার পরিবারকে সাহায্য করতে পারি।

আমার মনে পরে, 5 ম শ্রেণির পরে আমি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় প্রবেশ করেছিলাম, যাতে আমি আমার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করতেপারি। আমার একজন শিক্ষক মিঃ বিপ্লব দাস আমাকে একটি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সংস্থায় যোগদানের জন্য পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং মাত্র 12 বছর বয়সে, আমার পথ চলা শুরু হয়। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর হাত ধরে কঠোর পরিশ্রম শুরু করি। ভীড়ট্রেনে এর-ওর গুতো খেতে খেতে যেতাম কলকাতায়, সেমিনারে অংশ নিতে। সেমিনার‌ গুলিতে অংশ নেওয়ার পর থেকেই জীবনে সফল হওয়ার জন্য একটা অখন্ড শপথ মনে মনে নিয়ে নিয়েছিলাম। আমি সেই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সংস্থার সফলতা অর্জনকারীদের সাথে সময় কাটিয়ে সত্যিই অনুপ্রাণিত হতাম। তারপর 1 বছর কঠোর পরিশ্রম করি ,

কিন্তু আমি যথেষ্ট অর্থোপার্জন করতে পারিনি। একদিন আমার সিনিয়রদের সাথে কথা বলার সময় আমি অন্য একটি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সংস্থা সম্পর্কে জানতে পারি যা স্টক মার্কেটের সাথে ডিল করে,জীবনে প্রথমবার! আমি সীমাহীন টাকা উপার্জনের সুযোগের কথা শুনেছিলাম, আর শোনা মাত্রই জীবনের দারিদ্র্যতাকে হারমানানোর আশায় সেই অজানা পথে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি‌। আমার এখনো মনে পড়ে, সেই সংস্থার সদস্য হওয়ার জন্য 7500 টাকার প্রয়োজন ছিল। তবে আমার কাছে ছিল মাত্র 2000 টাকা । আরও 5500 টাকার প্রয়োজন। সেই টাকা জোগাড় করার জন্য, উপার্জনের বিভিন্ন উপায় সন্ধান করতে শুরু করি। তখন ২০১৩ সাল , পেটিএম এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া যেত। যদি কাউকে পেটিএম অ্যাকাউন্ট খুলতে বলেন,

পেটিএম 100 টাকা দেবে। তাই আমি সেই টাকা পেতে, আরও বেশি লোকের সাথে দেখা করতে এবং তাদের পেটিএম অ্যাকাউন্ট খুলাতে শুরু করলাম। প্রায় একমাস অক্লান্ত পরিশ্রম করার পরে জোগাড় হল পুরো টাকাটা, যুক্ত হলাম সেই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সংস্থার সাথে এবং শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করি আরও বেশি অর্থোপার্জনের জন্য। সেই নেটওয়ার্কিং সংস্থার সিনিয়রদের ধারণাগুলি নিয়েই আমি অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম এবং শেয়ারবাজার কীভাবে কাজ করে তা জেনে আমি আকর্ষিত হই। কেবলমাত্র শেয়ারে আমাদের অল্প কিছু অর্থ বিনিয়োগ করে সেই অর্থকে বহুগুণ করা সম্ভব,এই কথাটা আমার মাথায় একেবারে গেঁথে গিয়েছিল। এ কারণেই বেশি পরিমাণে অর্থ বিনিয়োগ করা প্রয়োজন।

তাই আমি প্রচুর পরিশ্রম করে যা কিছু উপার্জন করছিলাম তার সমস্তটাই সংরক্ষণ করে যেতাম। যাতে সেই নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সংস্থার মাধ্যমে শেয়ার বাজারে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে পারি। আমি আমার মাকে কিছু অর্থের ব্যবস্থা করতে বলেছিলাম যাতে আমি কয়েক মাসের মধ্যে বিশাল রিটার্ন পেতে পারি।1,00,000 টাকা থেকে বিনিয়োগ করব বলে ভেবেছিলাম। আমার মা 70,000 টাকার ব্যবস্থা করার জন্য লোন নিয়েছিলেন এবং আমার ব্যক্তিগত পরিশ্রমে উপার্জিত 30,000 টাকা বিনিয়োগ করেছিলাম। আমি অনুভব করতে শুরু করলাম যে পরের কয়েক মাসে আমার জীবন পরিবর্তন হতে চলেছে। তখন মনের মধ্যে ছিল প্রচন্ড এক্সাইটমেন্ট। আমার পরিবারের সমস্ত আর্থিক সমস্যা সমাধান হতে চলেছে এবার।

কিন্তু !অতি কষ্টে জোগাড় করা 1,00,000 টাকা যে সংস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ করেছিলাম,তা একটি জালিয়াত সংস্থা হিসেবে প্রমাণিত হয়। এজন্য 3 মাসের মধ্যে আমি শেয়ারে বিনিয়োগকৃত সমস্ত অর্থ হারিয়ে ফেলেছিলাম। আমি ১৩ বছরের একটি ছেলে ছিলাম মাত্র। পরিবারের আর্থিক সমস্যা সমাধান করতে চেয়েছিলাম । তবে এত কষ্টে জোগাড় করা সমস্ত অর্থ হারানোর ফলে আমার সব আশা এবং স্বপ্নগুলি নিমেষে চোখের সামনে চুরমার হতে দেখছিলাম। আমার মা যখন এই বিষয়টি জানতে পেরেছিলেন মারাত্মক বকাবকি করে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। বলেন, আমি যেন কখনও মুখ না দেখাই । আমি টানা তিন দিন বন্ধুর বাড়িতে ছিলাম।

তার পরে আমার মা আমাকে বাড়িতে আসতে বলেন। আপনি যখন টাকা হারিয়ে ফেলবেন তখন সে টাকা আবার উপার্জনের বিভিন্ন উপায় পেয়ে যাবেন, তবে কারও বিশ্বাস হারানোর পর সেটা ফিরিয়ে আনা; সত্যিই কঠিন! নিজের মায়ের মুখোমুখি হওয়া আমার পক্ষে সত্যিই কঠিন হয়ে পড়েছিল। আমি তার বিশ্বাস ভেঙেছি! তারপরে, আমি একটি মাছের সংস্থায় কাজ শুরু করি। আমার কাজ ছিল, প্রতিদিন ভোর ৪ টে নাগাত উঠে , গাড়িতে করে দীঘা থেকে কলকাতায় মাছ আনা। সেই অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমার দৈনিক আয় ছিল মাত্র 100 টাকা। এটি হয়তো দেহে খাবারের চাহিদা পূরণ করার জন্য যথেষ্ট ছিল, কিন্তু! আমার স্বপ্নগুলি পূরণের জন্য নয়। আমি সর্বদা এমন একজন হয়ে উঠতে চেয়েছিলাম,

যে পরিবারকে তাদের আর্থিক সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে পারবে। আমি হৃদয় থেকে অনুভব করতাম যে, স্টক মার্কেট এমন একটি প্লাটফর্ম যা আমাকে অবশ্যই আমার স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করতে পারবে। সুতরাং আমি কীভাবে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করব সে সম্পর্কে লোকদের জিজ্ঞাসা করা শুরু করলাম। জানতে পারলাম ট্রেডিংএর জন্য একটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হয়। তাই আমি নিজের জন্য একটি Demat অ্যাকাউন্ট খোলার কথা ভেবেছিলাম। তবে আমার বয়স মাত্র ১৩ বছর, যেটা Demat অ্যাকাউন্ট তৈরি করার উপযুক্ত বয়স ছিল না।অবশেষে, আমি আমার মায়ের নামে একটি Demat অ্যাকাউন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নিলাম। অ্যাকাউন্ট খোলার পরে,

আমি আমার মাকে আবারও কিছু টাকা যোগাড় করার অনুরোধ করি এবং আমিও কাজ করতে শুরু করি ।পাশাপাশি চলতে থাকে আমার পড়াশোনা। আবারও মা লোন করে কিছু টাকার জোগাড় করে, এবং আমি নিজে কিছু কাজ করে স্বল্প টাকার যোগাড় করে ফেলি। সেই সমস্ত টাকা আরো একবার শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করি এবং আবারও প্রচুর লস করি। নিজের ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট প্রায় শূন্য করে ফেলি আমি। এই কথা বাড়িতে বলার ক্ষমতা আমার ছিলনা। তখন বয়স আমার প্রায় 14+ আবারও নিজে টাকা জোগাড় করা শুরু করি, প্রায় ছয় সাত মাস পরে টাকা জোগাড় হয়। সেই টাকা আবারো শেয়ার মার্কেটে Invest করি, তারপর থেকে কোনদিন Profit…কোনদিন Loss… এইভাবে চলতে থাকে।

তারপর আমি কিছু কোম্পানির Advisory Services‌নি, কিন্তু তাদের কথা শুনে আমার প্রচুর loss হয় তারপরে আরও একটা দুটো কোম্পানিতে আমি সার্ভিসেস নি। কিন্তু তারাও সব fraud করে। তারপর 2015 দিকে এমন একটা জেদ চলে আসে, যে নাহ! নিজেকে খুব ভালো করে শিখতে হবে শেয়ার বাজার। আর তখন আমি, একটা প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট বুঝতে পারছিলাম যে এইটা শুধু আমার সাথে নয়, হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষের সাথে এরকম হয়ে চলেছে এমনকি এখনও হয়ে চলছে।তখন থেকেই মনের মধ্যে শুরু হয়ে যায় এই Tips জিনিসটা কে বাদ দিতে হবে। এবার পালা ছিল শেয়ার বাজারের বিনিয়োগের‌ সঠিক পদ্ধতি জানার।আমি সেই লোকদের কাছ থেকে শিখতে শুরু করি যারা এতে ভাল ছিল ,

তবে শেয়ার বাজারের তথাকথিত বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে শেখার পরেও আমি যা অর্জন করতে চেয়েছিলাম তা অর্জন করতে সক্ষম হইনি। অবশেষে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম,অন্য কারও কাছ থেকে নয়। নিজেকে ই শিখতে হবে শেয়ার বাজার। তবে যা কিছু সঠিকভাবে শেখার জন্য লাগে, তাই করতে হবে। শুরু হয় দিনরাত গবেষণা ,নানা রকম ফর্মুলা বানাই, কোন সময় লস কোন সময় প্রফিট এইভাবে পরীক্ষা চলতে থাকে। তখন 2017 বহুবার টাকা লস করার পরে তৈরি হয় আমার Profit এর ফর্মুলা। এখন আমি যে শেয়ারেই টাকা লাগাই সেই শেয়ার দৌড়াতে শুরু করে ,

আমাকে Profit এনে দেয় । আমি বারে বারে ফর্মুলাকে টেস্ট করি আর তার উত্তর হয়.… Profit ! Profit ! Profit! যে ছেলেটা শেয়ারবাজারে বহুবার ব্যর্থ হয়েছিল, সে শেয়ার বাজারের মাধ্যমে তার আর্থিক লক্ষ্যগুলি পূরণ করতে শুরু করে। Successfull formula তৈরি করেও আমি মন থেকে ঠিক সন্তুষ্ট হতে পারছিলাম না। ভেতর থেকে কোথাও না কোথাও এটা মনে হচ্ছিল যে আমার মতো আরো কত! কত! মানুষের সাথে এইরকম জালিয়াতি হচ্ছে তাদের বের করার দায়িত্ব কি আমার নয়?কিন্তু কিভাবে? খুঁজতে শুরু করলাম কারণ! কেন শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীদের ঠকানো সম্ভব হচ্ছে ? আমার কিছু বন্ধু বান্ধব ও শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করত ।

আমার মতো তাদের সাথেও এমন প্রতারণা হয়েছিল।তাই আমার নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং তাদের অভিজ্ঞতার কথা শুনে একটা ভয়ঙ্কর ভুলের খোঁজ পেলাম। বারে বারে আমরা সেই একি ভুলটাই করে যাচ্ছিলাম। না জেনে না বুঝে, যার থেকে ইচ্ছা টিপস নিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে একনাগাড়ে লস করেযাচ্ছিলাম। এমনকি অনেককে এমনও দেখেছিলাম এই লস্ করার জন্য সুইসাইড পর্যন্ত করেছিলেন। শেয়ারবাজার সঠিকভাবে না শিখেই , টাকা ইনকাম করার পিছনে ছোটার নেশাই হল নিজেকে প্রতারিত হতে দেওয়ার মূল কারণ। বড় বড় সংস্থা গুলোও শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যার মধ্যেই সীমিত ছিল। সঠিক এবং সহজ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের রাস্তা কেউই দেখাচ্ছিলো না। Solution টা আমার জানা ছিল কিন্তু,

অনেক research এর পর Problem এর মূল কারণ খুঁজে পাওয়া মাত্রই 2017 থেকেই শুরু করি শেয়ারবাজারের Training দেওয়া। প্রথমে শুরু করি আমার বন্ধু বান্ধবদের ট্রেনিং দেয়ার মাধ্যমে, তারপরে আজ প্রায় 10k এর বেশি মানুষকে আমি আমার তৈরি করা শেয়ারবাজারের সহজ Step by Step Process শিখিয়েছি। আর সবথেকে আশ্চর্য বিষয় যারা আমার থেকে শেয়ার বাজার শিখেছে বা শেখেন তার 95% ই আমার থেকে বয়সে অনেক বড় ।ডাক্তার ,পুলিশ,সরকারি অফিসার ,স্কুল টিচার এবং এমন অনেক সুনামধন্য ব্যক্তিরাও আমার কাছ থেকে আমার তৈরি করা শেয়ারবাজারের step-by-step ফর্মুলা জানতে আগ্রহী হয়েছেন। তারা আজ সেই ফর্মুলা ব্যবহার করে প্রচুর মুনাফা অর্জন করেছেন।

আমি যাতে আরো ভালো এবং প্রোফেসনাল ভাবে সকলকে শেয়ার বাজার সম্পর্কে অবগত করতে পারি,তার জন্য আমি ভারতের বড় বড় Business Coach দের থেকে প্রশিক্ষণও নিয়েছি যা আমাকে আমার ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়তা করছে I আমার নিজের সংস্থা শুরু করার স্বপ্ন ছিল কিন্তু কীভাবে করব তা আমার কোনও ধারণা ছিল না। জীবন সম্পর্কে সর্বোত্তম সত্যি, কোন জিনিস আপনি যখন মন এর গভীর থেকে পাওয়ার চেষ্টা করবেন। তখন তা পাওয়ার কোন না কোন রাস্তা ঠিক সামনে চলে আসে। দেখতে দেখতে 2020 চলে এলো ,আর আমার স্বপ্নটা মনে হয় সত্যি করার উদ্যোগ নিয়েছিল সারা ব্রহ্মাণ্ড।

অবশেষে আমার Mentor Dhananjay Banthia sir এর সাথে যোগাযোগ হয় , যিনি আমাকে নিজের সংস্থা Phd Capital কে শুরু করার স্বপ্ন পূরণ করতে আমাকে সহায়তা করেন। এখন আমি একজন সফল শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগকারী। India’s Youngest Financial Advisor and Coach. আমাদের Services এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ থেকে উচ্চবিত্ত মানুষ রাও শুধুমাত্র আমার তৈরি করা শেয়ার বাজারের ফর্মুলা‌ Step by Step Follow করে, Profit করছেন। প্রায় প্রতিদিন হাজার হাজার‌ মানুষকে শেয়ার বাজারে সফল হওয়ার সঠিক এবং সহজ রাস্তা দেখাতে পেরে আজ আমি সত্যিই মন থেকে আমার কাজের উপর সন্তুষ্ট।

২০২০ সালে আমাকে Indian Achievers সংস্থা দ্বারা “Entrepreneur of Year 2020″ Award এ ভূষিত করা হয়েছে। আমি শেয়ারবাজারে অনুষ্ঠানের জন্য কিছু নতুন চ্যানেলের ” Founder India TV” & “TV100National” এর সাথে যুক্ত আছি। আমার জীবনের উদ্দেশ্য, আগামী দিনে এই Financial মার্কেটে মানুষদেরকে আগ্রহী করে তোলা । আমাদের ভারতীয় অর্থনীতি যাতে আরো সুন্দর করে এগিয়ে যেতে পারে এবং জনসাধারণ কিভাবে কোথায় Investment করলে লাভবান হতে পারে সেই রাস্তা দেখানো।”

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button