নিউজভিডিও

নিজের বাচ্চাদের বাঁচাতে বিশাল চিতা বাঘের সঙ্গে তুমুল ল’ড়াই বুনশূকরের! ঘটলো চরম বি’পত্তি! মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে আমাদের চোখের সামনে প্রায় সময় বিভিন্ন অসম লড়াইয়ের ভিডিও চলে আসে। এই অসম লড়াই কখনো হয় মানুষ বা পশুর মধ্যে আবার কখনো দুটি পশুর মধ্যে। আপাতদৃষ্টিতে এই ল-ড়াই গু-লি মানুষের মনোরঞ্জন করলেও পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত এই ল-ড়াইয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Loading...

বাস্তুতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিনিয়ত পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীকেই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হয় বেঁচে থাকার জন্য। ক্ষুদ্রাকৃতি থেকে বৃহদাকার প্রতিটি প্রাণী এই ল-ড়াইয়ের মধ্যে পড়ে। যদিও এককথায় দেখতে গেলে মাং-সাশী প্রাণী দের মধ্যে এই লড়াই আরো প্রবল। কারণ তাদের বেঁচে থাকার জন্য তথা খাদ্য গ্রহণের জন্য অন্য কোনো এক প্রাণী প্রজাতিকে হ-ত্যা করতে হয়।

Loading...

আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা এমন একটি ভাইরাল ভিডিওর কথা আলোচনা করতে চলেছি যা সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই।  সম্প্রতি ভাইরাল এই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, আফ্রিকার একটি প্রত্যন্ত বনাঞ্চলের ঘটনা। যেখানে একটি শুয়োরকে চিতাবাঘ আ-ক্রমণ করেছে।

Loading...

আচমকাই চিতার আক্রমণে শুয়োরটি হতচকিত হয়ে পড়ে গিয়েছে। নিজের সন্তানকে এরকমভাবে বি-পদের মুখে থাকতে দেখে এগিয়ে আসে মা শুয়োরটি। এরপর সেই মা শুয়োর টির সাথে চিতাবাঘের এক অসম ল-ড়াই শুরু হয়। আমরা সকলেই জানি ব-ন্য চিতা কতটা শক্তিশালী প্রজাতির হয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই লড়াইতে জেতা প্রায় এক প্রকার অসম্ভব ছিল শুয়োরের পক্ষে।কিন্তু তবুও নিজের সন্তানকে বাচাঁনোর লক্ষ্যে ল-ড়াই চালিয়ে যায় প্রাণীটি।

Loading...

এবং শেষ পর্যন্ত দেখা যায় সে চিতাবাঘ টিকে হারিয়ে দিতে সমর্থ হয়। প্রসঙ্গত পৃথিবীর যে কোন প্রজাতির মধ্যেই মায়ের ভালোবাসা বর্তমান। মানুষ হোক বা অন্যান্য যে কোন প্রাণী নিজের সন্তানকে বাচাঁনোর জন্য মা যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে পারেন। ভাইরাল ভিডিওটিতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নেট নাগরিকরা এই অসাধারণ ভিডিওটিকে অত্যন্ত পছন্দ করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে আমরা দিনশেষে অসাধারণ এই সব ঘটনাবলী দেখতে পাই তাই অবশ্যই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়াকে কুর্নিশ জানানো উচিত।

Loading...

Loading...

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button