নিউজপশ্চিমবঙ্গ

লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ছাড়া কিভাবে আবেদন করবেন জেনে নিন!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন । তারপর এই প্রতিটি অঞ্চলে শুরু হতে চলেছে দুয়ারে সরকার কাম্প এবং এই দুয়ারে সরকার ক্যাম্প এর মাধ্যমে মূলত যে বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হবে সেটি হলো লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প । বিধানসভা ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে ভোটে জয়লাভ করার পর এই রাজ্যের মা বোনেদের জন্য বিশেষ সরকারি সাহায্যের অনুদান করে দেবেন তারা এবং তিনি তার কথা রেখেছেন অবশেষে চালু হতে চলেছে রাজ্যের বুকে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প ।

রাজ্যজুড়ে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প চালু হওয়াতে মহিলারা সামনের সারিতে উঠে আসবে এমন তো অনুমান করা হচ্ছে আগে থেকেই তার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথ্য অনুসারে এমনটা জানা যাচ্ছে যে গোটা রাজ্য জুড়ে মোট ১ কোটি ৬৯ লাখ মহিলারা সংযুক্ত হবে এই প্রকল্পের আওতায় সরাসরিভাবে । তার পাশাপাশি এই প্রকল্পের জন্য বছরে ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ।

এই প্রকল্প আগামী দিনের আলো দেখাবে বলে মনে করছেন অনেকে । নবান্ন ঐদিন হওয়া বৈঠক থেকে জানা যাচ্ছে যে আগামী ১৬ ই আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চলবে দুয়ারে সরকার কেন্দ্র সরকার ক্যাম্পে গিয়ে আবেদনপত্র জমা দিলেই নাম নথিভুক্ত করা যাবে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে । এবং এর জন্য বিশেষ কোনো কিছুর প্রয়োজন নেই ।

তার যেসব মহিলারা পাবেন ।তবে সাধারণ বা জেনারেল কাস্ট মহিলাদের জন্য ৫০০ টাকা করে প্রতিমাসে এবং অন্যান্য জাতির জন্য হাজার টাকা করে প্রতিমাসে অনুদান দেবে রাজ্য সরকার । কিন্তু যে প্রশ্নগুলি বারবার থেকে যায় যে কারা এই প্রকল্পের আবেদন করতে পারবে এবং কারা পারবে না তা বিস্তারিত জানাবো এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে ।।আসুন আমরা প্রথমে জেনে নিই প্রকল্পের আবেদন করতে পারবে তার জন্য কি কি শর্ত থাকা জরুরি

১) ৬০ বছর পর্যন্ত যে কেউ আবেদন করতে পারবেন এই প্রকল্পে। ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত সব মহিলাই এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।

২) এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড অবশ্যই থাকা বাঞ্ছনীয় ।

৩)প্রথমত যারা আবেদন করবে তাদেরকে স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এই রাজ্যের ।

৪) আবেদনকারীর একটি সিঙ্গেল ব্যাংক একাউন্ট দরকার পড়বে । যার সাথে আধার কার্ড সংযুক্ত করা আছে ।

যারা যারা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না:-

১)সরকারি কর্মচারী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কেন্দ্রের ও রাজ্যের, কোনও স্বশাসিত সংস্থা, সরকারি নিয়ন্ত্রিত কোনও সংস্থা, পঞ্চায়েত, মিউনিসিপালিটি, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, সরকারি স্কুল গুলির ক্ষেত্রে বা যদি কেউ নিয়মিত বেতন বা পেনশন পান তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না।

২)আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য কি না তা ঠিক করবে জেলাগুলির ক্ষেত্রে জেলাশাসকরা এবং কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কমিশনার।

এর পাশাপাশি আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি নবান্ন থেকে বৈঠকের পর যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে তার মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে একটি পরিবারের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দিয়ে আপনি পরিবারের সকল মহিলার জন্য আবেদন করতে পারেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button