নিউজপশ্চিমবঙ্গ

মহিলাদের অঙ্গনওয়াড়ি সুপারভাইজার পদে প্রচুর কর্মী নিয়োগ পশ্চিমবঙ্গে, করুন আবেদন!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আইসিডিএস বা অঙ্গনওয়াড়ি কথা আমি আপনি প্রত্যেকে জানি । গোটা রাজ্য তথা দেশ জুড়ে এই অঙ্গনওয়াড়ি প্রথা চালু রয়েছে । নারী এবং শিশু কল্যাণ দপ্তর এর তরফ থেকে এই ধরনের প্রকল্প প্রচলন শুরু করা হয়েছিল বহু বছর আগে থেকে । কিন্তু সেখানে এখন দেখা যাচ্ছে বিপুল সংখ্যক কর্মী নিয়োগ হচ্ছে ।তার কারণ হচ্ছে যে সমস্ত পদ গুলি রয়েছে তাদের মধ্যে অধিকাংশ পদ ফাঁকা ।

খালি পড়ে আছে এবং এই শূন্যস্থান পদের নিরিখে উত্তরপ্রদেশ প্রথম পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় । স্মৃতি ইরানি সংসদে বলেছিলেন যে অঙ্গনওয়াড়ি আইসিডিএস কেন্দ্র হচ্ছে কেন্দ্রীয় সহায়তা প্রাপ্ত । সেটাকে বাস্তবে রূপায়িত করেছে রাজ্য সরকার । নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর শূন্যস্থান পদে নিয়োগ করা বাঞ্ছনীয় । কিন্তু শ্রম এবং নারী কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেছেন অন্য কথা। তিনি বলেছেন শেষবারের মতো নিয়োগ হয়েছিল ২০০৭ সালের বাম আমলে ।

সেটা অনেকটা অস্বচ্ছ । আইনত অনেক জটিলতা ছিল ।২০১৪ সালের পর থেকে আমরা সেটা দেখছি । কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তা প্রতিনিয়ত কমে আসছে । আগে ৭৫:২৫ অনুপাতে খরচ হতো । কিন্তু এখন সম্পুর্ন উল্টো হয়ে গেছে । ২৫:৭৫ হারে খরচ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জন্য ভাতা বৃদ্ধি করে চলেছে প্রতিনিয়ত । তার পাশাপাশি সে সমস্ত কর্মীদেরকে স্বাস্থ্যসাথী এবং টিকাকরণ এর আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে ।

বিশেষ সূত্র অনুসারে জানা যাচ্ছে যে আইসিডিএস প্রকল্পে ব্লক স্তরে সিডিপিও-রা দায়িত্বে থাকেন। গ্রাম স্তরে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা সুপারভাইজ়ারের অধীনে কাজ করেন। সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ৪,৭৭৯টি সুপারভাইজ়ারের অনুমোদিত পদের মধ্যে ৩,৪৩৩টি পদই খালি পড়ে রয়েছে। উত্তরপ্রদেশে ৩,৮১৫টি পদ খালি। সিডিপিও-র ক্ষেত্রে ৫৭৬টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ১৯৩টি খালি পড়ে রয়েছে। ২৯৫ জন সিডিপিও এবং ১৩৪৬ জন সুপারভাইজ়ার নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। গত বছর থেকে কোভিডের কারণে প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button