নিউজভিডিও

রাত্রিবেলায় ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়েছে বিশাল কো’বরা সা’প! উদ্ধার করতে এগিয়ে এলো পোষা কুকুর! বাধলো তুমুল ল’ড়াই! ব্যাপক ভাইরাল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- প্রতিনিয়ত ভাইরাল হওয়া জিনিস গু-লি মধ্যে এমন কিছু জিনিস থাকে যা সত্যিই আমাদেরকে অবাক করে তোলে । তার পাশাপাশি শিক্ষা অর্জনে সাহায্য করে এই ঘটনা তার প্রমান । আমাদের ভারতবর্ষে এমন বিভিন্ন প্রজাতির সা-পের দেখা মেলে যা অত্যন্ত বি-ষধর মানুষের পক্ষে। তাদের এক মিলিগ্রাম মানুষকে মে-রে ফেলতে যথেষ্ট । সে ধরনের একটি সাপ শাঁখামুটি সাপ । অনেকটা হলুদ এবং কালো সংমিশ্রণে তৈরি হয় ।

শুধুমাত্র এই ধরনের সাপ ছাড়া ভারতবর্ষের আরো বিভিন্ন প্রজাতির সাপ রয়েছে । যেগুলো অত্যন্ত ভ-য়ঙ্কর এবং বি-ষাক্ত হয় । তাই রাস্তাঘাটে বনে জ-ঙ্গলে যখনই কখনো যাত্রা করবেন তখন অতি সাবধানে সাথে যাত্রা করবেন । কারণ কে বলতে পারে হয়তো আপনার পায়ের নিচে লুকিয়ে থাকতে পারে এই ধরনের কোন বি-ষাক্ত সা-প । আগেকার যুগে প্রচুর মানুষ সাপের কামড়ে মারা যেত । কিন্তু এন্টিভেনাম তৈরি হয়ে যাওয়ার পর থেকে সেই সংখ্যা অনেকটা কমে এসেছে ।

অবশ্য আগেকার যুগে মানুষ মারা যাওয়ার পেছনে অন্যতম একটি প্রধান কারণ হচ্ছে কু-সংস্কার । যদি কাউকে সা-পে কা-মড় দিতে আগেকার যুগে তাহলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে নিয়ে যাওয়া হতো বিভিন্ন সাধু বাবার কাছে । ঝা-ড়ফুঁ-ক করে তাকে ভালো করার চেষ্টা করা হতো । কিন্তু ততক্ষণে অনেক খানি সময় নষ্ট হয়ে যায় । যার ফলে সে মানুষটি মারা যেত । মানুষ এখন অনেক সচেতন হয়েছে ।

কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে এসেছে অনেকটা ।তাই মৃত্যুর সংখ্যা কমে এসেছে অনেকটা পরিমাণে । সম্প্রতি ইউটিউব একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে যেখানে দেখানো হয়েছে যেটি বাড়ির দোতলায় পাওয়া গেছে একটি বিষাক্ত সাপ । সাপের বিষ এতটাই তীব্র যে কয়েক সেকেন্ডে একটি মানুষ মা-রা যে-তে পারে এই সাপের আ-ক্রমণে । যার ফলে এলাকার মধ্যে ব্যাপক পরিমাণে আ-তঙ্ক ছড়ায় । তারা এক সা-পুড়ে খবর দেয় ।

কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে উপস্থিত স্থানীয় এক সা-পুড়ে । সেই সা-পুড়ে অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে এবং তার সরঞ্জাম এর মাধ্যমে সেই বি-ষাক্ত সা-প থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় । পরবর্তী ক্ষেত্রে কোনো গ-ভীর জ-ঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে । ইতিমধ্যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছেন এর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সর্বক্ষেত্রে এসেছে অনেক মন্তব্য ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button